৭ম শ্রেণির শরিফ-শরিফার গল্পটা এরকমও হতে পারতো
শরিফ আর শরিফা দুই ভাই-বোন। বাবা আর মায়ের সাথে ঢাকার উত্তরায় বসবাস করেন। স্কুলের ছুটি পেয়ে ঢাকা থেকে দাদু বাড়ি বেড়াতে গাইবান্ধায় যাচ্ছে, এটাই তাদের প্রথম ট্রেন ভ্রমণ, তাই ওরা দুজনেই খুব উৎফুল্ল, শরিফ সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে আর শরিফা চতুর্থ শ্রেণিতে। শরিফ-শরিফার বাবা জনাব আশরাফ সাহেব রাজধানীর স্বনামধন্য ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রংপুর এক্সপ্রেসে করে সকাল ১০ টায় রওয়ানা দেয়। রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনে থামলে একদল হিজড়া/তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ ট্রেনটিতে উঠে, ট্রেনের জানালার কাঁচ দিয়ে সে দৃশ্য দেখে শরিফ ও শরিফা, দুই ভাই-বোনই ওদের দেখে খুব অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে! 'মানুষগুলো মেয়েদের মত দেখতে, কিন্তু অনেক লম্বা, ঠোঁটে কড়া লিপস্টিক লাগানো, মুখেও অনেক মেকাপ, দেখতে কেমন যেন একটু অদ্ভুত লাগে! ওরা সবচেয়ে অবাক হয়, মেয়েদের মত দেখতে হলেও ওদের গলার আওয়াজ ঠিকই ছেলেদের মতো... শরিফা ভয় পেয়ে মায়ের আঁচলে লুকোতে চায়। কৌতুহল জাগে শরিফের মনে, সে বাবাকে জিজ্ঞেস করে, 'বাবা, কে এরা তাদের দেখতে এমন কেন?' আশরাফ সাহেব বলেন, 'ওরা তোমার আমার...